নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্তের পর ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়নের আদেশ
নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) আলোচিত কর্মকর্তা এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে আবারও সংস্থাটির ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। তার এই পদায়নকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) মো. কবির হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে একই পদমর্যাদায় বিআইডব্লিউটিএর ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগ, ঢাকায় পদায়ন করা হয়।
এ পদায়নের খবরে জনমনে সুশাসন, জবাবদিহি ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।এর আগে চলতি বছরের ২৩ জুন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
সেই আদেশে উল্লেখ করা হয়, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়েছে, যা সংস্থার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০-এর বিধি ৩৫ (খ) ও (ঙ) লঙ্ঘনের অভিযোগে বিধি ৪১(১) অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি অনুযায়ী তিনি খোরাকি ভাতা পাবেন এবং প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগে নিয়মিত হাজিরা প্রদান করতে হবে। হাজিরার ভিত্তিতেই তার খোরাকি ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে বরখাস্তের পর প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
তবে বরখাস্তের মাত্র এক মাসের মাথায় নতুন বিভাগে আরিফ উদ্দিনের পদায়নের আদেশ জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

